Web
Analytics




Home  »  মূল্যবান কিছু বাণী   »   মালফুযাত-২৪

মালফুযাত-২৪

default

আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর “মালফুযাত”
এতেকাফওয়ালা নিশ্চিত শবে কদর পেয়ে যাবে। এতেকাফের অবস্থার প্রতিটি মুহূর্তই এবাদত গণ্য হয়। চুপচাপ বসে থাকলেও সেটা ইবাদত। শুয়ে থাকলেও ইবাদত। অনেক মুসলমানদের মধ্যেই একটা খেয়াল যে, শবে কদর অমুক তারিখে এবং সেটাকে নির্ধারিত মনে করে। এরকম হলে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম নিজে কেন ঘোষণা করলেন না। অনেক মানুষ শবে কদরের আমলে যেভাবে অভ্যস্ত, শবে কদরের আমলের যেই রঙে অভ্যস্ত সেই কারণেই কিনা অন্যান্য বেজোড় রাতে আমল এবং এবাদত করতে হিম্মত করে না। মনে করে যে, আমরা যে রাতটা শবে কদর মনে করি সে রাতে তো সারা রাত জাগি। মাশাআল্লাহ কত…… আমল করি। তো ২১,২৩,২৫,২৭ এবং ২৯ সবগুলো রাতে কিভাবে জাগবো। কিভাবে ইবাদত করব। তো যারা নামাযী এবং রোজাদার তারা কী করেন। যেদিন শবে কদর হবে বেজোড় রাত মাগরিব কি সেদিন পড়বেন না। মাগরিবের নামায তো পড়লেন। সুন্নতের পর দুই রাকাআত, ৪ রাকাআত নফল পড়ি শবে কদর তালাশের নিয়তে এবং সে সময় আল্লাহপাকের কাছে খুব দোআ করি। ১০০ বার যিকির করলাম বা কোন আমল করলাম। একটু পরে তো আবার এশার নামায, আবার তারাবীহ মাশাআল্লাহ। মধ্য সময় একটু আরাম করা হয়। পরে তো উঠে আবার সেহেরী খাওয়া হয়। তো বেশি একটা সময় তো না। আপনি যদি একটু আরাম করেন শুয়ে থাকেন তো এটা শবে কদরের আমলের বিরোধী তো না। আরাম করতে যদি শরীর চায় তাহলে আরাম করেন। একটু ঘুমিয়ে নেন দিনের বেলা কাজ আছে, ব্যস্ততা আছে। কিন্তু এমনটা কি করা যায় না যে, বাসায় গিয়ে দুই রাকাত নামায পড়ে নিলাম। অথবা ১০ মিনিট দোআ মোনাজাত করলাম। ভোর রাতে যখন আবার উঠলাম তখন দুই রাকাত চার রাকাত নামায পড়লাম। আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফ চাই, দুনিয়া-আখেরাতের জরুরতের কথা বলি। তো এটা শবে কদরের আমল হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। লোকেরা শবে কদরের আমলকে ভারী কোনো ব্যাপার মনে করে। যার কারণে সবগুলো বেজোড় রাতে আমল করতে হিম্মত করে না। কম হোক, কিন্তু কিছুতো হোক। বান্দা যদি খালি এতটুকু বললো যে, আল্লাহ আমি গুনাহগার, আপনি আমাকে মাফ করে দেন। আল্লাহ কবুল করে নিলেন তো কাজ হয়ে গেল। আর যদি এত সময় না হয় তো বলেন যে, আল্লাহ! আমার দুনিয়া আখেরাত দোনোটা কামিয়াব বানায়ে দেন। আপনি আমার উপর রাজি হয়ে যান। খুশি হয়ে যান। আমার দুনিয়াতে যা দরকার দেন, আখেরাতে যা দরকার দেন। আমরা সবাই এরাদা করি যে, বেজোড় রাতগুলোতেও আমরা ইনশাআল্লাহ কিছু না কিছু আমল করবো। তো ইনশাআল্লাহ আমরা শবে কদর পেয়েই যাবো।

Leave a Reply

Thanks for choosing to leave a comment.your email address will not be published. If you have anything to know then let us know. Please do not use keywords in the name field.Let's make a good and meaningful conversation.

18 + 19 =