মালফূযাত-২০

  • মারকাজুল হুদা :- তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা *হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম* এর
    *মালফূযাত*
    নেক আমলের যিন্দেগী জান্নাতের রাস্তা এবং পাপের যিন্দেগী  জাহান্নামের রাস্তা।
    আল্লাহকে যে চায় সে পায়।
    নারী-পুরুষের পরস্পরের পর্দা করার দৃশ্য দেখে আল্লাহ রব্বুল আলামীন খুশি হয়ে যান। এটা শ্রেষ্ঠ ইবাদত।
    গুনাহকে ঘৃণা করা ফরয, গুনাহগারকে ঘৃণা করা হারাম।
    ডাইনির আদরের চেয়ে মায়ের ধমক ভালো।
    অনেক জায়গাতে এরকম হয় যে, আপনি নিজে গান শুনতে রাজি না। মহল্লার মধ্যে এমন ভাবে মাইক লাগিয়ে দেয় যে, গানের আওয়াজ আসছে, তো আপনি সে গানের আওয়াজ শুনে খুশি না নারাজ? যদি আপনি এর ওপর অসন্তুষ্ট তাহলে কোন গুনাহ নেই। আর যদি আপনি খুশি হন এবং খেয়াল করে শুনছেন তাহলে তাতে গান শোনার গুনাহ হবে। রাসূলে পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম বলেছেন, এই জমিনে যখন কোন গুনাহের কাজ হয়, যারা সেখানে উপস্থিত আছে, তারা যদি এই কাজের ওপর অসন্তুষ্ট থাকে, তাহলে গুনাহের মধ্যে সে শামিল হবে না। সে যেন অনুপস্থিত ছিল সেখান থেকে। কিন্তু যে খুশি ছিল যে, অমুক জায়গায় গান-বাদ্য হচ্ছে  তাহলে সে গুনাহগার গণ্য হবে।
    কোন জায়গায় কাউকে কেউ হত্যা করল, কিছু লোক সেখানে দেখছিল। কিন্তু এর দ্বারা তারা কষ্ট পেয়েছে যে, আহা…. রে! এক মানুষকে খুন করা তো হারাম গুনাহ! করলোটা কি! তো যারা এখানে দেখেছে কিন্তু অসন্তুষ্ট, ফলে তারা গুনাগার হবে না। আর কিছু লোক সেখানে সামনে ছিল না, দূরে ছিল, শোনার পর খুব খুশি হয়েছে যে, ভালো কাজ করেছে। কাল কেয়ামতে এই ব্যক্তিকে আল্লাহর সামনে খুন করার আসামী হিসাবে হাজির হতে হবে। ( মারকাজুল হুদা ডটকম)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *