বেফাক পরীক্ষার রেজাল্ট

২০১৯ সালের বেফাক পরীক্ষার ফলাফল।

বেকাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ এর ৪২তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯।
গড় পাশের হার ৭৭.৯৬%। ছাত্রদের পাশের হার ৮৩.২৭%। ছাত্রীদের পাশের হার ৬৯.৯৯%। পরীক্ষায় তাকমিল (এম.এ.) ব্যতিত ৬টি স্তরে মোট পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৫২ হাজার ৪৮০ জন অংশগ্রহণ করে। এর মাঝে স্টার মার্ক পেয়েছে ২১ হাজার ১৭৫ জন। প্রথম বিভাগে পাশ করেছে ২৬ হাজার ১৭৫ জন ছাত্র-ছাত্রী। মোট উত্তীর্ন পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫২ জন।

স্তরভিত্তিক পাশের হার
ফজিলত (স্নাতক) বালক ৮৬.৯১% ও  বালিকা ৮১.৭২%। সানাবিয়া উলইয়া (উচ্চ মাধ্যমিক) বালক ৭২.৭৪% ও বালিকা ৫৬.২৫%। মুতাওয়াসসিতাহ (নিম্ম মাধ্যমিক) বালক ৮৯.৭৭% ও বালিকা ৭৫.১৭%।আর ইবতিদাইয়্যাহ (প্রাইমারী) শাখায় বালক ৭৫.৬৬% ও বালিকা ৬৭.০৫%। এছাড়া তাহফীজুল কুরআন ও ‘ইলমুত তাজবীদ ওয়াল কেরাআত বিভাগের পাশের হার যথাক্রমে ৮৬.৫৫% ও ৮৮.০০%।

ফজিলত (স্নাতক)
বালক শাখায় মেধা তালিকায় ১ম র্স্থান অধিকার করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলার মাদানীনগর মাদরাসার ছাত্র মুহা: আব্দুল্লাহ। তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৬৬।
২য় স্থান অধিকার করেছে ঢাকা জেলার জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুন নূর, ওয়াসা রোড, উত্তর-পশ্চিম যাত্রাবাড়ী মাদরাসার ছাত্র মুহা: ইকরামুল হাসান আহমদ। তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৬৪।
৩য় স্থান অধিকার করেছে ঢাকা জেলার জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুন নূর, ওয়াসা রোড, উত্তর-পশ্চিম যাত্রাবাড়ী মাদরাসার ছাত্র মাহবুবুল আলম। তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৬১।

বালিকা শাখায় মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছে ঢাকা জেলার মুহাম্মদপুর এর ফাতেমাতুজ্জাহরা রা. মাদরাসার ছাত্রী  নাঈমা হুসাইন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৩।
২য় স্থান অধিকার করেছে কিশোরগঞ্জ জেলার আয়েশা সিদ্দীকা রা. কওমি মহিলা মাদরাসার ছাত্রী মারিয়া মাইমুনা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৬০।
৩য় স্থান অধিকার করেছে বরিশাল জেলার চরমোনাই জামেয়া রশিদিয়া আহসানাবাদ মহিলা শাখা এর ছাত্রী তাকওয়া তাজুন্নুর। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৫৫।

সানাবিয়া উলয়া (উচ্চ মাধ্যমিক)
বালক শাখায় মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছে ঢাকা জেলার জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া মুহাম্মদপুর -এর ছাত্র মুহা: মাহবুবুল আলম। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৮।
২য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে ২জন। তাঁরা হলেন মাদারিপুর জেলার জামিয়াতুস সুন্নাহ, শিবচর এর ছাত্র ইয়াকুব আলী। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৪। একই মাদরাসার ছাত্র মুহা: আব্দুল আযীয। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৪।
৩য় স্থান অধিকার করেছে ঢাকা জেলার মারকাজুল ইলমি ওয়াদ দাওয়াহ সাভার এর  ছাত্র শাকিল ইজতিহাদ সিফাদ। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৩।

বালিকা শাখায় মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছে ঢাকা জেলার আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া রানাভোলা উত্তরা এর ছাত্রী মোবাশ্বিরা আক্তার। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৬১।
২য় স্থান অধিকার করেছেন যৌথভাবে ২জন। তাঁরা হলেন মোমেনশাহী জেলার মিফতাহুল জান্নাত মহিলা মাদরাসা গলগন্ডা এর ছাত্রী সা‘দিয়া মারজান। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৪৯ ও ঢাকা জেলার হযরত ফাতেমাতুয যাহরা মহিলা মাদরাসা উত্তরা -এর ছাত্রী মোসা: উম্মে হানি। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৪৯।
৩য় স্থান অধিকার করেছে ঢাকা জেলার মাদরাসাতুল কিতাব ওয়াস সুন্নাহ মহিলা মাদরাসা মোহাম্মদপুর এর ছাত্রী আয়েশা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৪৭।

মুতাওয়াসসিতাহ (নিম্ম মাধ্যমিক)
বালক শাখায় মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে ২জন। তারা হলেন ঢাকা জেলার জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুন নূর, ওয়াসা রোড, উত্তর-পশ্চিম যাত্রাবাড়ী-এর ছাত্র মুহা: সাজ্জাদ হুসাইন সা‘আদ। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৪। কুমিল্লা জেলার আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম বরুড়া-এর ছাত্র মো: খালেদ হাছান। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৪।
২য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে ৩জন। তারা হলেন ফরিদপুর জেলার আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মদীনাতুল উলুম নগরকান্দা-এর ছাত্র মুহাম্মদুল্লাহ। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৩। নারায়ণগঞ্জ জেলার কাসেমুল উলুম রুপসী চরপাড়া-এর ছাত্র মুহা: শাহ জালাল। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৩ ও মাদারীপুর জেলার জামিয়াতুস সুন্নাহ-এর ছাত্র আ. রহমান তামীম। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৩।
৩য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে ২জন। তারা হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জামিয়া রব্বানিয়া জালকুড়ি মাদরাসার ছাত্র রবীউল ইসলাম। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮২ ও জামি‘আ আরাবিয়া দারুল উলুম দেওভোগ-এর ছাত্র মুহা: আরাফাত হোসাইন। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮২।

বালিকা শাখায় মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছে ঢাকা জেলার আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া রানাভোলা উত্তরা এর ছাত্রী আফিফা রহমান মারিয়া। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮০।
২য় স্থান অধিকার করেছে কিশোরগঞ্জ জেলার জামিয়াতুল আজহার লিল বানাত তারাপাশা এর ছাত্রী মাহমুদা আক্তার তুলফা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৭।
৩য় স্থান অধিকার করেছে কুমিল্লা জেলার ইকরা মহিলা মাদরাসা উত্তর লাকসাম এর ছাত্রী নাছরিন শিফা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৩।

ইবতিদাইয়্যাহ (প্রাইমারী)
বালক শাখায় মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলার জামিয়া মোহাম্মদিয়া আরাবিয়া ভূঁইয়াপাড়া মাদরাসার ছাত্র মুহাম্মদ জুনাইদ আল হাসান। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৫।
২য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে ৪জন। তারা হলেন জামিয়া রব্বানিয়া আরাবিয়া জালকুড়ি এর ছাত্র মুহাম্মদ তামীম। জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুন নূর, ওয়াসা রোড উত্তর পশ্চিম যাত্রাবাড়ী মাদরাসা এর ছাত্র মুহা: বেলাল হুসাইন। জামিয়া হাকীমুল উম্মত দক্ষিন কেরানীগঞ্জ -এর ছাত্র মুহা: মাহফুজুর রহমান। ও কুষ্টিয়া জেলার আশরাফুল উলুম মঙ্গলবাড়ীয়া মাদরাসার ছাত্র মুহা: তানভীর আব্দুল্লাহ। এদের সবার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৯।
৩য় স্থান অধিকার করেছে যৌথভাবে ৩জন। তারা হলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জাামিয়া রব্বানিয়া আরাবিয়া জালকুড়ি এর ছাত্র মুহা: কেফায়াতুল্লাহ। ঢাকা জেলার জামিয়া ইসলামিয়া কাসেমুল উলুম পল্লবী মাদরাসার ছাত্র মুহা: আব্দুল্লাহ আল মারুফ। ও জামিয়া হাকীমুল উম্মত দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ মাদরাসার ছাত্র মুহা: আব্দুল্লাহিল কাফী। এদের সবার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৮।

বালিকা শাখায় মেধা তালিকায় ১ম স্থান অধিকার করেছে জামালপুর জেলার মিফতাহুল জান্নাত (মরিয়ম) মহিলা মাদরাসা শাহপুর এর ছাত্রী মোছা: সাইমুম জান্নাত সাদিয়া। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৫।
২য় স্থান অধিকার করেছে ফরিদপুর জেলার তানযীমুল উলুম কওমী মহিলা মাদরাসা বোয়ালমারী এর ছাত্রী উম্মে হাবীবা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৬৮।
৩য় স্থান অধিকার করেছে মোমেনশাহী জেলার মিফতাহুল জান্নাত গলগন্ডা এর ছাত্রী ফারিহা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৬৭।
এছাড়া তাহফীজুল কুরআন এর ৬৬ টি গ্রুপে (প্রতি গ্রুপে ৩জন করে) ও ‘ইলমুত তাজবীদ ওয়াল কেরাআত বিভাগে ৩টি গ্রুপে (প্রতি গ্রুপে ৩জন করে) পৃথক পৃথক ভাবে মেধা তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন অনেকেই।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 × 1 =

error: Content is protected !!